Smart News - шаблон joomla Создание сайтов
  • Font size:
  • Decrease
  • Reset
  • Increase

ভারতীয় কাঁচা আম এখন বাজারেঃ দর ৩০০ টাকা কেজি

কাঁচা আমের ডাল, খাটাই তথা ভর্তা বাঙালির যুগযুগের প্রাণের খাবার। চৈত-বৈশাখের ভ্যাপসা গরমের সময় কাঁচা আমের অম্বল বাঙালির রসনা তৃপ্ত করে আসছে সুদুর অতীতকাল থেকে। কিন্তু এ বছর নরসিংদীসহ দেশের অনেক সমতল ভূমিতেই আমের ফলন কম। আর এ সুযোগ গ্রহণ করেছে ফড়িয়া ব্যবসায়িরা। তারা ভারত থেকে একটু বড় আকারের কাঁচা আম আমদানী করতে শুরু করেছে। তবে দাম আকাশ ছোঁয়া। এক কেজি কাঁচা আম বিক্রি হচ্ছে আড়াইশত থেকে ৩০০ টাকা দরে। গতকাল রবিবার সকালে ব্রাহ্মন্দী নয়াবাজারে জনৈক ফড়িয়ার খাড়িতে প্রদর্শন করা হয় কাঁচা আম। হঠাৎ বাজারে কাঁচা আম দেখে এক মহিলা ক্রেতা দৌড়ে আম কিনতে যায়। কিন্তু দাম শুনে মহিলা একেবারেই থ-মেরে যায়। ফড়িয়া এক কেজি আমের দাম ছিল আড়াইশত টাকা। মহিলা দেড়শত টাকা কেজি দর দিবে বলে দীর্ঘণ অনুরোধ উপরোধ করে ব্যর্থ হয়। শেষ পর্যন্ত আম না কিনেই তাকে ফিরে যেতে হয় মহিলাকে। কাঁচা আমের এই দাম শুনে অন্যান্য সচেতন ক্রেতারা স্মৃতিচারণ করে বাংলাদেশে অতীতে কাঁচা আম নিয়ে। তারা জানায় কাঁচা আম কখনো বাজারে বিক্রি হতো না। ৭০ দশকেও নরসিংদীসহ দেশের মানুষের বাড়ি বাড়ি আম গাছ ছিল। দেশিয় আমে ভরপুর ছিলো গাছগুলো। প্রতিদিন সকাল বেলায় গাছের নিচে রাস্তা ধারে উচু হয়ে পড়ে থাকতো কাঁচা আম। আমের প্রাচুর্য এতবেশী ছিল যে মানুষ কাঁচা আম পায়ে দলে রাস্তা দিয়ে হেটে যেতো। কেউ অন্যের গাছের এসব কাঁচা আমের দিকে তাকাতো না। ছোট ছোট শিশুরা নদী থেকে ঝিনুক তোলে ইটে ঘসিয়ে কাটার বানিয়ে আম ছিলে খেতো। ছোট আম কাটার জন্য এক ধরনের ছোট চাকু বাজারে পাওয়া যেতো। এগুলোর নাম ছিল আম চাকু। এখন গাছে আগের মত আমও ধরে না, নদীতে ঝিনুকও নেই, নেই সেই আম চাকুও। এখন অভাবের বাজারে কাঁচা আমের চাহিদা অনেক বেড়ে গেছে। প্রতি বছরই বাজারে কাঁচা আম আমদানী হয়। প্রথমে বিক্রি হয় অত্যন্ত চড়া দামে। মানুষ বাধ্য হয়ে চড়া দামে আম কিনে ডালের সাথে কাঁচা আম মিশিয়ে খাট্রা ডাল তৈরী করে খায়। ছোট বড় মাছ, লম্বা বেগুনের সাথে কাঁচা আম দিয়ে তৈরী করে আম খাট্রা বা অম্বল। দুপুরের সুটকির বোনা আর কাঁচা ডালের অম্বল বাঙালীর ঐতিহ্যবাহী খাবার হিসেবে পরিচিত। একসময় এ খাট্রা বা অম্বল ছিল সাধারণ মানুষের খাবার। স্বল্প আয়ের মানুষেরা চৈত্র, বৈশাখ ও জৈষ্ঠ্য মাস পর্যন্ত এ খাট্টা রেধে খেতো। এখন এই কাঁচা আমের খাট্রা ধনিক শ্রেণীর মানুষের খাবারে পরিনত হয়েছে। চড়া দামে আম কিনে গরীব মানুষেরা খাট্টা খাবার কথা চিন্তা করতে না পারলেও ধনীর দুলাল দুলালীরা চড়া দামে কাঁচা আম কিনে ফ্রিজ পূর্ন করে রাখে।  আর গরীব মানুষেরা শুধু  তাকিয়ে তাকিয়ে দেখে।

Leave your comments

0
terms and condition.
  • No comments found
এক আমের দাম ৩৩ হাজার টাকা! কে কিনেছে এই আম এবং ঘটনাটা কী?- ভাবা যায়! একটি আমের দাম ৩৩ হাজার টাকা। তাও আবার আমের রাজধানী-খ্যাত চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জে। ঘটনাটা কী! শিবগঞ্জ উপজেলার দুলর্ভপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান রাজিবুল ইসলাম রাজু জানান, শনিবার সকালে দুলর্ভপুর ইউনিয়নের ...
রপ্তানি যোগ্য আম উৎপাদন করেও রপ্তানি করতে না পেরে ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়েছেন চাঁপাইনবাবগঞ্জের বাগান মালিক ও ব্যবসায়ীরা। কৃষি অধিদপ্তরের কোয়ারেন্টাইন উইংয়ের সাথে স্থানীয় কৃষি বিভাগের সমন্বয়হীনতার কারণে এই অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে বলে মে করেন বাগান মালিক ও চাষিরা। অন্যদিকে জেলার ...
আমের মৌসুম বাড়ছে আরও এক মাস  কোনো রাসায়নিক দ্রব্য ব্যবহার না করে আম পাকা প্রায় এক মাস বিলম্বিত করার প্রযুক্তি উদ্ভাবন করেছেন এক উদ্ভিদবিজ্ঞানী আম পাকা শুরু হলে আর ধরে রাখা যায় না। তখন বাজারে আমের সরবরাহ বেড়ে যায়। যেকোনো দামেই বেচে দিতে হয়। তাতে কোনো কোনো বছর চাষির উৎপাদন ...
রাজধানীর মালিবাগের আবদুস সালাম। বয়স ৭২ বছর। তার চার তলার বাড়িতে রয়েছে একটি দুর্লভ ‘ছাদবাগান’। শখের বসে এ বাগান করেছেন। বছরের সব ঋতুতেই পাওয়া যায় নানা ধরনের ফল। এখনো পাকা আম ঝুলে আছে ওই ছাদবাগানে। শুধু আম নয়, ৫ কাঠা ওই বাগানজুড়ে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের ফুল, ফলসহ অন্তত ১০০ ...
দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে এবার আম সাম্রাজ্য চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা রফতানি পণ্যের তালিকায় উঠে আসার এক মাসের মধ্যেই পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের আম ব্যবসায়ীরা খুবই আগ্রহী হয়ে উঠেছে এখানকার আম তাদের দেশে নিয়ে যাবার ব্যাপারে। যদিও ইতোপূর্বে এ বছর চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে দুই হাজার টন আম ...
রীষ্মের এই দিনে অনেকেরই পছন্দ আম।এই আমের আছে আবার বিভিন্ন ধরণের নাম।কত রকমের যে আম আছে এই যেমনঃ ল্যাংড়া,ফজলি,গুটি আম,হিমসাগর,গোপালভোগ,মোহনভোগ,ক্ষীরশাপাত, কাঁচামিঠা কালীভোগ আরও কত কি! কিন্তু এবারে বাজারে এসেছে এক নতুন নামের আর তার নাম 'বঙ্গবন্ধু'। নতুন নামের এই ফলটি দেখা ...

MangoNews24.Com

আমাদের সাথেই থাকুন

facebook ফেসবৃক

টৃইটার

Rssআর এস এস

E-mail ইমেইল করুন

phone+৮৮০১৭৮১৩৪৩২৭২