Smart News - шаблон joomla Создание сайтов
  • Font size:
  • Decrease
  • Reset
  • Increase

গাছে গাছে আম্রপালি-হাড়িভাঙ্গা

রাজশাহীর আম এখন রাউজানের টিলা ভূমিতে। আগে নেঁড়া হয়ে থাকা টিলাগুলোতে এখন সারি সারি আম গাছ। বিশাল বিশাল টিলা ভূমির সারি সারি আম গাছে ঝুলছে হরেক প্রজাতির আম। বাগানের প্রতিটি গাছের উচ্চতা পাঁচ থেকে সাত ফুট। বাগানের সব গাছের ডালপালা নিচের দিকে ঝুলে আছে আমের থোকা নিয়ে। গাছ ভর্তি ফলন দেখে বাগান মালিকরা এখন আনন্দে আত্মহারা। কৃষকরা আশায় বুক রেঁধেছেন আগামী মাসে বাগানের আম পাকা শুরু হবে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে পরিশ্রমের ফল ঘরে উঠানো যাবে। রাউজানের পৌরসভা এলাকার ৭নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা মাওলানা মোহাম্মদ এনাম সখের বশে পার্শ্ববর্তী হলদিয়া ইউনিয়নের রাধামাধবপুর এলাকায় আম বাগান করেছেন তার মালিকানাধীন পরিত্যক্ত দুই একর নেঁড়া টিলা ভূমিতে। ২০১১ সালে তিনি গাছের চারা লাগালেও এখন প্রতিটি চারা গাছে ঝুলছে থোকা থোকা আম। বাগানে আমের ফলন দেখে এনামের মুখে এখন সাফল্যের হাসি। বাগান পরিদর্শনকারীদের মধ্যে তিনি যাকে পাচ্ছেন তাকেই পরিচয় দিচ্ছেন তার বাগানের গাছে গাছে ঝুলন্ত আমের সাথে। এনামের বাগানে এখন ঝুলছে আম্রপালি, হাড়িভাঙ্গা আর রূপালী জাতের আম।

মাওলানা এনাম জানিয়েছেন, তিনি দুই একর টিলায় আম বাগান করতে উদ্বুদ্ধ হয়েছেন রাউজান উপজেলা উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা জসিম উদ্দিনের কথায়। তার ব্যবস্থাপনায় সংগ্রহ করা হয় তিনশ’ চারা। প্রথম বছরে গাছে মুকুল এলেও কৃষি কর্মকর্তার পরামর্শে মুকুল ভেঙ্গে দেয়া হয়। তৃতীয় বছরে সাফল্যের হাসি হেসে গাছে গাছে আসে আবার মুকুল। সেই মুকুল থেকে এখন আমের কাংঙ্খিত ফলন। তবে এনামের মনে ক্ষোভ প্রকৃতির উপর। হঠাৎ ঝড়ো হাওয়ায় তার গাছের অনেক আম ফুলের মধ্যে ঝড়ে পড়েছে। আবহাওয়ার এই বিরূপ প্রভাব না পড়লে বাগানের ফলের সৌন্দর্য্য আরো বৃদ্ধি পেতো বলে তার ধারণা।
সফল এই আম চাষী এনাম তার আম বাগানের পাশে আরো একটি বাগান সৃষ্টি করেছেন। এই বাগানে তিনি লাগিয়েছেন লিচু, জলপাই, কমলা, মালটা, লেবু চারা। তার আশা এই বাগান থেকেও আমের মত ফলন পাওয়া যাবে। তিনি বলেছেন, সরকারি সহায়তা পেলে তার মালিকানাধীন পরিত্যক্ত হয়ে থাকা আরো পাঁচ-সাত একর টিলা ভূমিতে উন্নত জাতের ফলজ বাগান করতে পারবেন। এ জন্য সহায়তা দিতে হবে ব্যাংক ঋন দিয়ে। কৃষকরা এই সহায়তা পেলে রাউজানের অনেক কৃষক বিভিন্ন জাতের ফল চাষে বিপ্লব ঘটাতে পারবে বলে তিনি আশাবাদী। উপজেলা উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা জসিম উদ্দিন বলেছেন, রাউজানে আম চাষের উজ্জল ভবিষৎ রয়েছে। এখানকার শত শত একর পরিত্যক্ত টিলা ভূমিতে আম ও লিচু বাগান করলে বিশাল ফলন পাওয়া যাবে। যা থেকে এ অঞ্চলের চাহিদা পূরণ করা সম্ভব হবে।

Leave your comments

0
terms and condition.
  • No comments found
মেহেরপুরে এবার আমের বাম্পার ফলন হয়েছে। গত কয়েকদিনের কালবৈশাখী ঝড়ে কিছুটা ক্ষতিগ্রস্থ হলেও চলতি বছরও আম চাষিরা লাভের আশা করছেন। এদিকে গেল বছর স্বল্প পরিসরে সুস্বাদু হিমসাগর আম ইউরোপিয়ান ইউনিয়নে রপ্তানি হলেও এ বছর ব্যাপক হারে রপ্তানি করার প্রস্তুতি নিয়েছে বাগান মালিকও আম ...
চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে সারাদেশের ন্যায় মত চাঁপাইনবাবগঞ্জেও টানা ৭দিন ধরে প্রবল বর্ষনের কারণে আম ব্যবসায়ী ও আম চাষীদের মাথায় হাত পড়েছে। টানা বর্ষনের কারনে আম ব্যবসায়ীরা গাছ থেকে আম পাড়তে পারছেন না। অন্যদিকে গাছে পাকা আম নিয়েও বিপাকে পড়েছে আম চাষী ও ব্যবসায়ীরা। ফলে দুর্যোগপূর্ণ ...
আমাদের দেশে উৎপাদিত মোট আমের ২০ থেকে ৩০ শতাংশ সংগ্রহোত্তর পর্যায়ে নষ্ট হয়। প্রধানত বোঁটা পচা ও অ্যানথ্রাকনোজ রোগের কারণে আম নষ্ট হয়। আম সংগ্রহকালীন ভাঙা বা কাটা বোঁটা থেকে কষ বেরিয়ে ফলত্বকে দৃষ্টিকটু দাগ পড়ে । ফলত্বকে নানা রকম রোগজীবাণুও লেগে থাকতে পারে এবং লেগে থাকা কষ ...
বাংলাদেশে উৎপাদিত ফল ও সবজির রপ্তানির সম্ভাবনা অনেক। তবে সম্ভাবনার তুলতায় সফলতা যে খুব যে বেশি তা বলার অপেক্ষা রাখে না। রপ্তানি সংশ্লিষ্ঠ ব্যাক্তিবর্গ অনিয়মতান্ত্রিকভাবে বিভিন্নভাবে তাদের প্রচেষ্ঠা অব্যহত রেখেছেন। কিন্তু এদের সুনির্দিষ্ট কোন কর্ম পরিকল্পনা নেই বললেই চলে। ...
মৌসুমি ফল দিয়ে কর্তা ব্যক্তিদের খুশি করে স্বার্থ উদ্ধারের পদ্ধতি অনেক দিনের। বর্তমানে এই খুশি বিষয়টি আদায় করতে নগদ অর্থ খরচ করতে হলেও ফল থেরাপি ধরে রেখেছে অনেকেই। এর একটি হল মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর। মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের জন্য নিয়মিত ...
রীষ্মের এই দিনে অনেকেরই পছন্দ আম।এই আমের আছে আবার বিভিন্ন ধরণের নাম।কত রকমের যে আম আছে এই যেমনঃ ল্যাংড়া,ফজলি,গুটি আম,হিমসাগর,গোপালভোগ,মোহনভোগ,ক্ষীরশাপাত, কাঁচামিঠা কালীভোগ আরও কত কি! কিন্তু এবারে বাজারে এসেছে এক নতুন নামের আর তার নাম 'বঙ্গবন্ধু'। নতুন নামের এই ফলটি দেখা ...

MangoNews24.Com

আমাদের সাথেই থাকুন

facebook ফেসবৃক

টৃইটার

Rssআর এস এস

E-mail ইমেইল করুন

phone+৮৮০১৭৮১৩৪৩২৭২