Smart News - шаблон joomla Создание сайтов
  • Font size:
  • Decrease
  • Reset
  • Increase

ব্যাপক ক্ষতির মুখে চাঁপাইনবাবগঞ্জের আম ব্যবসায়ীরা

রপ্তানি যোগ্য আম উৎপাদন করেও রপ্তানি করতে না পেরে ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়েছেন চাঁপাইনবাবগঞ্জের বাগান মালিক ও ব্যবসায়ীরা। কৃষি অধিদপ্তরের কোয়ারেন্টাইন উইংয়ের সাথে স্থানীয় কৃষি বিভাগের সমন্বয়হীনতার কারণে এই অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে বলে মে করেন বাগান মালিক ও চাষিরা। অন্যদিকে জেলার ম্যাংগো ফাউন্ডেশনে নেতা আম রপ্তানি না হওয়ার পেছনে কোয়ারেন্টাইন উইংয়ের উপ-পরিচালককেই দায়ী করেন।

রপ্তানি যোগ্য আম উৎপাদনে সফল হওয়ায় ২০১৫ সালে চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে শুরু হয় আম রফতানি। সেবার মাত্র সাড়ে ৩ মেট্রিক টন আম দিয়ে রফতানি শুরু হলেও পরের বছর ১৫০টন আম রফতানি হয় জেলা থেকে। এরই ধারাবাহিকতায় চলতি বছর রফতানিকারকদের সাথে চুক্তি সাপেক্ষে উন্নত কৃষি ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে ৪ হাজার মেট্রিক টনেরও বেশি রফতানি যোগ্য আম উৎপাদন করে বাগান মালিকরা। কিন্তু এবছর নতুন করে কৃষি অধিদপ্তরের কোয়ারেন্টাইন উইংয়ের হস্তক্ষেপের কারণে আম রফতানি করতে পারেননি ব্যবসায়ীরা। এজন্য স্থানীয় কৃষি বিভাগের সমন্বয়হীনতারকেই দায়ী করছেন তারা।

বাগান মালিকেরা জানায়, ‘এক্সপোর্টটার ও বায়ারদের কোনো আপত্তি ছিল না। কিন্তু দুই একজনের কারণে এবার আম রফতানি হয়নি। বায়ারদের সাথে যোগাযোগ করার পরও কি কারণে বিদেশে রফতানি করতে পারলাম না সেটি আমরা বুঝতে পারছি না।’

রফতানি করতে না পেরে এসব আম বাজারে বিক্রি করে ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়েছেন ব্যবসায়ীরা।

জেলার কৃষি কর্মকর্তা জানান, বছরের শুরুতে সাতক্ষীরা থেকে রপ্তানি হওয়া কিছু আম নিয়ে ইউরোপের বাজারে সমস্যা সৃষ্টি হওয়ায় কোয়ারেন্টাইন কর্তৃপক্ষ বাছাই প্রক্রিয়ায় কঠোরতা আরোপ করে

চাঁপাইনবাবগঞ্জ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর উপ-পরিচালক মোঃ মঞ্জুরুল হুদা বলেন, ‘এ আম যদি আমরা রফতানি করতাম তাহলে দেখা যেত ৫/৬ বছরের জন্য একটা স্থায়ী নিষেধাজ্ঞার মধ্যে পড়তাম। আর সেই কারণে কোয়ারেন্টাইন কর্তৃপক্ষ ৭০ ভাগ আম রফতানির অযোগ্য বলে ঘোষণা করেছে।’

এদিকে আম রপ্তানি না হওয়ার পেছনে কোয়ারেন্টাইন উইংয়ের উপ-পরিচালককেই দায়ী করলেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ ম্যাংগো ফাউন্ডেশন সদস্য সচিব মোঃ আহসান হাবিব।

তিনি বলেন, ‘গত বছরের চেয়ে এই বছরে আমের মান অনেক ভাল ছিল। তবে এটি আগামীতে আম রফতানির ক্ষেত্রে একটি প্রতিবন্ধকতা হিসেবে কাজ করবে। সেই চাষিরা উৎসাহ হারাবে।’

জুনের পর চাঁপাইনবাবগঞ্জের ফজলি ও আশ্বিনা আম পাড়া শুরু হলেও ৩০ জুন পর্যন্ত রপ্তানির শেষ সময় নির্ধারণ জেলার আমকে ক্ষতিগ্রস্ত করার একটি অপচেষ্টা হিসেবে দেখছেন আম সংশ্লিষ্টরা।

Leave your comments

0
terms and condition.
  • No comments found
এক আমের দাম ৩৩ হাজার টাকা! কে কিনেছে এই আম এবং ঘটনাটা কী?- ভাবা যায়! একটি আমের দাম ৩৩ হাজার টাকা। তাও আবার আমের রাজধানী-খ্যাত চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জে। ঘটনাটা কী! শিবগঞ্জ উপজেলার দুলর্ভপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান রাজিবুল ইসলাম রাজু জানান, শনিবার সকালে দুলর্ভপুর ইউনিয়নের ...
রপ্তানি যোগ্য আম উৎপাদন করেও রপ্তানি করতে না পেরে ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়েছেন চাঁপাইনবাবগঞ্জের বাগান মালিক ও ব্যবসায়ীরা। কৃষি অধিদপ্তরের কোয়ারেন্টাইন উইংয়ের সাথে স্থানীয় কৃষি বিভাগের সমন্বয়হীনতার কারণে এই অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে বলে মে করেন বাগান মালিক ও চাষিরা। অন্যদিকে জেলার ...
আমাদের দেশে উৎপাদিত মোট আমের ২০ থেকে ৩০ শতাংশ সংগ্রহোত্তর পর্যায়ে নষ্ট হয়। প্রধানত বোঁটা পচা ও অ্যানথ্রাকনোজ রোগের কারণে আম নষ্ট হয়। আম সংগ্রহকালীন ভাঙা বা কাটা বোঁটা থেকে কষ বেরিয়ে ফলত্বকে দৃষ্টিকটু দাগ পড়ে । ফলত্বকে নানা রকম রোগজীবাণুও লেগে থাকতে পারে এবং লেগে থাকা কষ ...
আমে ফরমালিন আর কার্বাইডের ব্যবহার নিয়ে দেশে যখন ব্যাপক হইচই হচ্ছে, এর নেতিবাচক প্রচারের অনেক ভোক্তা সুস্বাদু এই মৌসুমি ফল থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছেন। ব্যবসায়ীরাও মাঠে নেমেছেন কম। আমের বাজারে চলছে ব্যাপক মন্দা। এই সময়ে শাহ কৃষি জাদুঘর এবার ফরমালিন-কার্বাইড তো দূরের কথা, কোনো ...
বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলায় বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে আছে বিভিন্ন বয়সী অনেক পুরনো গাছ। এর কোন কোনটি ২০০-৩০০ বছরেরও বেশি বয়সী। আবার কোনটির বয়স তার চেয়েও বেশি। তেমনই ঠাকুরগাঁওয়ের একটি আমগাছের কথা সেদিন জানতে পারলাম ফেসবুকে একজনের পোষ্ট থেকে। একটি আমগাছ যার বয়স নাকি ২০০ বছরেরও ...
ইসলামপুরের গাইবান্ধা ইউনিয়নের আগুনেরচরে একটি আম গাছের গোড়া থেকে গজিয়ে উঠেছে হাতসদৃশ মসজাতীয় উদ্ভিদ বা ছত্রাক। ওই ছত্রাককে অলৌকিক হাতের উত্থান এবং ওই হাত ভেজানো পানি খেলে যেকোন রোগ ভাল হয় বলে অপপ্রচার করছে স্থানীয় ভ- চক্র। আর ওই ভ-ামির ফাঁদে পা দিয়ে প্রতিদিন প্রতারিত হচ্ছেন ...

MangoNews24.Com

আমাদের সাথেই থাকুন

facebook ফেসবৃক

টৃইটার

Rssআর এস এস

E-mail ইমেইল করুন

phone+৮৮০১৭৮১৩৪৩২৭২