Smart News - шаблон joomla Создание сайтов
  • Font size:
  • Decrease
  • Reset
  • Increase

ডায়াবেটিক আম

যাদের ডায়াবেটিক তাদের ক্ষেত্রে আম খাওয়া সমস্যা। কারণ অতিরিক্ত ক্যালরির কারণে আমের উপর বিধিনিষেধ রয়েছে ডায়াবেটিক রোগিদের।

আমরা সবাই জানি বাংলাদেশের সর্বাপেক্ষা জনপ্রিয় ফল হলো আম। স্বাদ, গন্ধ, পুষ্টিমান এবং এর ব্যবহার বৈচিত্র্যের কারণে আমকে ‘ফলের রাজা’ বলে অভিহিত করা হয়ে থাকে। তবে এই ফলটি সুস্বাদু, সুমিষ্ট হওয়ায় তা খেতে অনেক সময় অস্বস্তিবোধ করেন ডায়াবেটি রোগীরা। তবে এবার সে সমস্যা সমাধানে ডায়াবেটিক রোগীদের জন্য উদ্ভাবিত হয়েছে ডায়াবেটিক আম (বাউ আম-৩)।

আবিষ্কৃত ডায়াবেটিক আমটি সুস্বাদু, সুমিষ্ট, রঙ, রস, আঁশহীন এবং সুগন্ধি মেশানো দৃষ্টিনন্দন ও আকর্ষণীয় বটে। এই অভিনব জাতটি উদ্ভাবনে সফলতা দেখিয়েছেন আমাদের দেশের কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের জার্মপ্লাজম সেন্টারের পরিচালক এবং উদ্যান তত্ত্ব বিভাগের প্রফেসর ড. আব্দুর রহিম।

দীর্ঘ ১৬ বছর যাবত গবেষণা করে তিনি উদ্ভাবন করেছেন এই ডায়াবেটিক আম বা বাউ আম-৩। এই আমে গ্লুকোজের মাত্রা স্বাভাবিকের তুলনায় কম যে কারণে তা ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য বেশ উপকারী। ইতিমধ্যে এই জাতের আমের চারা সারাদেশে সরবরাহ করা শুরু করেছে বাকৃবি জার্মপ্লাজম সেন্টার।

ডায়াবেটিক আম সম্পর্কে উদ্ভাবক ড. রহিম বলেছেন, এই জাতের আম নিয়মিত ফলধারণকারী এবং বামন প্রকৃতির জাত। গাছে প্রতি বছরই দুবার ফুল এবং ফল ধরে। জুন মাসের শেষদিকে এই জাতের পাকা ফল পাওয়া যায়। ফুল আসা হতে ফল পরিপক্ব হতে ৫ হতে সাড়ে ৫ মাস সময় লাগে। আমের আকার মাঝারি ও লম্বাটে প্রকৃতির। যে কারণে রসের পরিমাণ কম। তবে আঁশের পরিমাণ বেশি। চামড়া পাতলা এবং এই আমের খোসা সহজেই ছড়ানো যায়। এই আমের গড় ওজন ২৮৯ গ্রাম। প্রতি হেক্টরে ১০-১৫ টন ফলন পাওয়া সম্ভব।

উদ্ভাবক ড. রহিম বলেছেন, গবেষণায় ডায়াবেটিক বাউ আমের রাসায়নিক বৈশিষ্ট্য দেখা গেছে, এই জাতের ফলের দৈর্ঘ্য-১১.২০ সে.মি., প্রস্থ-৭.৩৭ সে.মি. ও পুরুত্ব-৬.৪৭ সে.মি। আহারোপযোগী অংশের পরিমাণ মোট ফলের ৭৩.৯৬ শতাংশ। আর্দ্রতা- ৮১.৪৪%; শুষ্ক পদার্থ- ১৮.৫৬%; পি-এইচ মান- ৩.৯৯; ট্রাইটেবল এসিডিটি- ০.৪৫%; জারিত চিনি- ১০.৬৮%, বিজারিত চিনি- ২.৭৯% এবং মোট- ১৩.৪৭%; সুগার ও এসিডিটির অনুপাত-২৯.৭৬; টিএসএস-২০.৩৩%।

উদ্ভাবক ড. রহিম বলেছেন, আমাদের দেশে ডায়াবেটিক রোগীদের সংখ্যা ক্রমেই বাড়ছে। অনেক রোগী বেশি পরিমাণে আম খেতে চাইলেও পারেন না। এই আমে অন্যান্য আমের তুলনায় সুগার লেভেল কম হওয়ায় এটা ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য খুবই উপকারী। ডায়াবেটিক বাউ আম-৩ ওই সব রোগীদের মন ভরে খাওয়ার সুযোগ করে দেবে বলে তিনি মনে করেন।

Leave your comments

0
terms and condition.
  • No comments found
বাজারে গত মাসের মাঝামাঝি সময় থেকেই আম আম রব। ক্রেতা যে আমেই হাত দিক না কেন দোকানি বলবে হিমসাগর নয়তো রাজশাহীর আম। ক্রেতা সতর্ক না বলে রঙে রূপে একই হওয়ায় দিব্যি গুটি আম চালিয়ে দেওয়া হচ্ছে হিমসাগরের নামে। অনেকসময় খুচরা বিক্রেতা নিজেই জানে না তিনি কোন আম বিক্রি করছেন। ...
আম ও আমজাত পণ্য রপ্তানী বিয়য়ে সেমিনার হয়েছে চাঁপাইনবাবগঞ্জে। চাঁপাইনবাবগঞ্জ চেম্বারের সম্মেলন কক্ষে জাতীয় রপ্তানীর প্রশিক্ষন কর্মসুচীর আওতায় শনিবার সকালে দিনব্যাপী সেমিনারের উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক মোঃ জাহিদুল ইসলাম। আলোচনার মাধ্যমে আম রপ্তানী ও বিভিন্ন সমস্যা সমাধানের ...
দেশেই তৈরি হচ্ছে ফ্রুটব্যাগ বাড়ছে চাহিদাদেশেই তৈরি হচ্ছে ফ্রুটব্যাগ বাড়ছে চাহিদা বিষমুক্ত ও ভালো মানের আম উৎপাদনে ফ্রুটব্যাগ পদ্ধতি বেশ কার্যকর। এত দিন আমদানিনির্ভর হলেও দুই বছর ধরে এটি দেশেই তৈরি হচ্ছে। আর এ ব্যাগ তৈরি হচ্ছে আম উৎপাদনের জন্য প্রসিদ্ধ জেলা ...
বাড়ছে আমের চাষ। মানসম্পন্ন আম ফলাতে তাই দরকার আধুনিক উত্পাদন কৌশল। আম চাষিদের জানা দরকার কীভাবে জমি নির্বাচন, রোপণ দূরত্ব, গর্ত তৈরি ও সার প্রয়োগ, রোপণ প্রণালী, রোপণের সময়, জাত নির্বাচন, চারা নির্বাচন, চারা রোপণ ও চারার পরিচর্যা করতে হয়। মাটি ও আবহাওয়ার কারণে দেশের ...
বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলায় বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে আছে বিভিন্ন বয়সী অনেক পুরনো গাছ। এর কোন কোনটি ২০০-৩০০ বছরেরও বেশি বয়সী। আবার কোনটির বয়স তার চেয়েও বেশি। তেমনই ঠাকুরগাঁওয়ের একটি আমগাছের কথা সেদিন জানতে পারলাম ফেসবুকে একজনের পোষ্ট থেকে। একটি আমগাছ যার বয়স নাকি ২০০ বছরেরও ...
আম গাছ কে দেশের জাতীয় গাছ হিসেবে ঘোষনা দাওয়া হয়েছে। আর এরই প্রতিবাদে কিছুদিন আগে এক সম্মেলন হয়ে গেলো যেখানে বলা হয়েছে :-"৮৫% মমিন মুসলমানের দেশ বাংলাদেশ। ঈমান আকিদায় দুইন্নার কুন দেশেরথে পিছায় আছি?? আপনেরাই বলেন। অথচ জালিম সরকার ভারতের লগে ষড়যন্ত কইরা আমাগো ঈমানের লুঙ্গি ...

MangoNews24.Com

আমাদের সাথেই থাকুন

facebook ফেসবৃক

টৃইটার

Rssআর এস এস

E-mail ইমেইল করুন

phone+৮৮০১৭৮১৩৪৩২৭২